পোস্টগুলি

রোমান্টিক গল্প লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

বউয়ের সাথে দুষ্টমি। Love Story

ছবি
বউয়ের সাথে দুষ্টমি। Love Story. আমি: রান্নাঘরে ঢুকে স্ত্রীকে রোমান্টিক সুরে প্রশ্ন করলাম, জান কী কর? বউ : নাচতেছি। : কী বল, আমি তো দেখছি তুমি রান্না  করছ। : তুমি যখন দেখছ আমি রান্না করছি তাহলে আজাইরা প্রশ্ন কর কেন? ঝাঁজের সঙ্গে বলল। : না মানে, স্ত্রীর খোঁজ খবর নেওয়া তো স্বামীর নৈতিক দায়িত্ব, তাই। : তাই? কিন্তু তুমি তো এখন দায়িত্ব পালন করতে আসো নাই। তুমি আসছ তোমার ইফতারিগুলো ঠিকমতো বানানো হচ্ছে কিনা তার খোঁজ নিতে। : ছি, তুমি আমারে ভুল বুঝলা! মনে বড়ই আঘাত পাইলাম। : ঢং করবা না। শোনো রোজা রেখে প্রতিদিন তোমার এই হাজার পদের ইফতারি আমি বানাতে পারব না। : কী যে বল। রোজার মাসে যদি একটু বেশি বেশি না খাই তাহলে কী হয়। : তা তো অবশ্যই। সবাই রোজা রাখে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য। আর তুমি রোজা রাখ ইফতারি খাবার লোভে। : আফসোস। স্বামীরে এভাবে খাবারের খোঁটা দিলা। : না, এটা খোঁটা না। যা সত্য তাই বলছি। রোজা মানে সংযম। মানুষে রোজা রেখে শুকায় আর তুমি? আমি নিশ্চিত তুমি মেপে দেখ তোমার ওজন গত দশ দিনের রোজায় তিন চার কেজি হলেও বাড়ছে। : এ কী বললা। তাড়াতাড়ি আমার গায়ে একট...

বউয়ের সাথে দুষ্টমি। Love Story

ছবি
বউয়ের সাথে দুষ্টমি। Love Story. আমি: রান্নাঘরে ঢুকে স্ত্রীকে রোমান্টিক সুরে প্রশ্ন করলাম, জান কী কর? বউ : নাচতেছি। : কী বল, আমি তো দেখছি তুমি রান্না  করছ। : তুমি যখন দেখছ আমি রান্না করছি তাহলে আজাইরা প্রশ্ন কর কেন? ঝাঁজের সঙ্গে বলল। : না মানে, স্ত্রীর খোঁজ খবর নেওয়া তো স্বামীর নৈতিক দায়িত্ব, তাই। : তাই? কিন্তু তুমি তো এখন দায়িত্ব পালন করতে আসো নাই। তুমি আসছ তোমার ইফতারিগুলো ঠিকমতো বানানো হচ্ছে কিনা তার খোঁজ নিতে। : ছি, তুমি আমারে ভুল বুঝলা! মনে বড়ই আঘাত পাইলাম। : ঢং করবা না। শোনো রোজা রেখে প্রতিদিন তোমার এই হাজার পদের ইফতারি আমি বানাতে পারব না। : কী যে বল। রোজার মাসে যদি একটু বেশি বেশি না খাই তাহলে কী হয়। : তা তো অবশ্যই। সবাই রোজা রাখে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য। আর তুমি রোজা রাখ ইফতারি খাবার লোভে। : আফসোস। স্বামীরে এভাবে খাবারের খোঁটা দিলা। : না, এটা খোঁটা না। যা সত্য তাই বলছি। রোজা মানে সংযম। মানুষে রোজা রেখে শুকায় আর তুমি? আমি নিশ্চিত তুমি মেপে দেখ তোমার ওজন গত দশ দিনের রোজায় তিন চার কেজি হলেও বাড়ছে। : এ কী বললা। তাড়াতাড়ি আমার গায়ে একট...

ঠোঁটের তিল’টা

ছবি
– আমার ঠোঁটের উপরের তিল টা দেখেছেন? পাত্রী দেখতে এসে পাত্রীর মুখে এমন অদ্ভুত প্রশ্ন শুনে আমার সামনে বসে থাকা ভদ্রলোক যে বেশ অবাক হয়েছেন, তা আমি বুঝতে পারছি। তারপরও স্বাভাবিক ভঙ্গীমায় তিনি উত্তর দিলেন, – জ্বী দেখেছি। সামনে সেন্টার টেবিলের উপর ট্রে তে দু’কাপ চা রাখা আছে। হালকা ঝুঁকে আমি চা’এ চিনি মেশাতে মেশাতে বললাম, – ঠোঁটের উপরে তিল থাকলে প্রেম করে বিয়ে হয়। ক’চামচ চিনি দিবো? – এক চামচ। আপনি তাহলে বিয়ের আগে প্রেম করতে চাচ্ছেন? প্রতিউত্তরে শুধু মুচকি হাসলাম আমি। তারপর আবারো পালটা প্রশ্ন করলাম, – আপনার নাম টা যেন কি? – শিশির। আপনার নাম তো মিহি? – হুম। নিন, চা শেষ করুন। শিশিরের সামনে আমি যতটা ভদ্র হয়ে বসে আছি আদৌ আমি ততটা ভদ্র নই। আমাদের আলাদা কথা বলার সুযোগ দিয়ে চলে যাওয়ার সময় মা বলে গিয়েছিলেন, “আল্লাহ্‌র দোহাই লাগে, এই সহজ সরল ছেলেটাকে প্যাঁচে ফেলবি না”। অন্য সময় হলে মা কে একটা ভেংচি কেটে দিতাম কিন্তু তখন ভদ্রতার বেশ ধরে চুপচাপ বসে থাকতে হয়েছে আমাকে। পাত্রপক্ষ চলে যাওয়ার পর আমি ঘরে এসে শাড়ি খুলতে ব্যস্ত হয়ে পড়লাম। এর মধ্যে মায়ের আগমন ঘটলো। মা কে দেখে আমি জিজ্ঞেস করলাম, – এত দেরী করলে কে...